My Passage to India: A Reader’s Story
Before I finish my long overdue travelogue on India, I want to share with you a related story. In the course of pulling together material for one of my On Trend pages for an upcoming issue, I was corresponding with a vendor, Jodi Sinden of SindenHome, who, upon reading my blog comments on taxi drivers, related her own story:
“My previous work has taken me to India a few times, including Delhi.. One time, I noticed that my taxi driver seemed to be adverse to using the brakes, so I asked him what he had against them? He said brakes are the third strategy. Naturally, I asked: If brakes are the third strategy, what are the first two? He said, First you honk, then you pray, THEN you brake. It all made sense after that.”
It made me hoot with laughter! How true, how true
Foradiga commented:
সবাই লক্ষ করুন, এই নোটে কিছুটা বোঝার ভুল আছে। আমাদের পতাকার রঙ গাঢ় সবুজ এবং গাঢ় লাল। আর ভারতের পতাকার রঙ হচ্ছে হালকা সবুজ। এখানে রঙের কম্বিনেশন দেখলে বুঝবেন যে, মাঝখানে সাদা রাখা হয়েছে এবং দুই পাশে হালকা রঙ রাখা হয়েছে যা আসলে ভারতের মত। একটা জিনিস আপনাকে স্বীকার করতেই হবে তা হচ্ছে এই মোমবাতির রং ভারতের পতাকার রঙের কাছাকাছি।বাংলাদেশের পতাকার রঙ ব্যবহার করার ইচ্ছা থাকলে দুই পাশে গাঢ় সবুজ ব্যাবহার করে মাঝখানে লাল ব্যবহার করা হোত। কিন্তু তা করা হয়নি। আর আরেকটি বিষয় হচ্ছে এই মোমবাতি সংস্কৃতি এতদিন আমাদের দেশে ছিল না। এটা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে আমদানী করা হয়েছে। এমনকি আমাদের দেশের পতাকার রঙ ব্যবহার করার উদ্দেশ্য হলেও এই মোমবাতি জ্বালানোটা ভালো হবে না কারন সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের পতাকা পোড়ানো হয়ে যাবে।আওয়ামী লীগ যে ভারতের পা চাটা দালাল এটা সবাই কম বেশি জানে এবং বোঝে। এখন কেউ যদি এটা বুঝেও না বোঝার ভান করে তাহলে আর কিছু বলার নাই।একটা জিনিস মনে রাখবেন যে ১০০% ভাগ নিখুতঁ ভাবে ভারতের সাথে মিল রাখতে গেলে তারা ধরা খেয়ে যাবে এবং জনগনের রোশানলে পড়বে। তাই স্লো পয়জনিং করা হচ্ছে। মানুষের মানসিকতাকে ভারতের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া হচ্ছে। এটাকে বলে mtiilfarizaaion করা। টাকার ডিজাইন ভারতের মত করা হচ্ছে। ভারতের পতাকার রঙের কম্বিনেশন বিভিন্ন জায়গায় ব্যাবহার করা হচ্ছে। ভারতের সংস্কৃকি, হিন্দি ভাষাকে আস্তে আস্তে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের স্বার্বভৌমত্বকে আস্তে আস্তে বিলীন করে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের স্বকীয়তা বা নিজস্বতাকে আস্তে আস্তে বিলীন করে দিয়ে ভারত mtiilfarizaaion করা হচ্ছে।বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, বিডিআর ধ্বংস করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আস্তে আস্তে বাংলাদেশের নিজস্বতা বলে যখন আর কিছু থাকবে না, বাংলাদেশ দুর্বল হয়ে যাবে, এবং বাংলাদেশ যখন ভারতের সংস্কৃতি, রীতিনীতি, নিয়মনীতি, আচার ব্যাবহার, ভাষায় অভ্যস্ত হয়ে যাবে তখন এটাকে ভারতের অংশ বানিয়ে ফেলা হবে। এবং এই ধরনের কাজ ভারত আগেও করেছে। সিক্কিম (দার্জিলিং) ছিল তিব্বতের অংশ। কিন্তু ভারত সেটা দখল করে নিয়েছে তিব্বতের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে।কি দরকার এই সব মোমবাতি জ্বালানোর? কি দরকার এই সব ভারতীয় সংস্কৃকি অনুসরন করার? এগুলো না করে কি আমরা এতদিন স্বাধীনতা দিবস পালন করি নাই?আজ টাকার ডিজাইন, কাল মোম্বাতির ডিজাইন, পরশু আরেকটা জিনিস এই ভাবেই আস্তে আস্তে ভারত mtiilfarizaaion করা হচ্ছে। এভাবে একটু একটু ছাড় দিতে থাকলে আমাদের বাংলাদেশের নিজস্বতা বলে এক সময় আর কিছু থাকবে না। এবং কেউ এর প্রতিবাদও করবে না কারন জিনিসটা এত আস্তে আস্তে ঘটনো হচ্ছে যে খুব কম লোকের নজরেই এটা পড়বে। খুব কম লোকের কাছেই এটা অস্বাভাবিক মনে হবে। যেমনটা এখন আপনার কাছে মনে হচ্ছে যে এতা কোনো বিষয় না।(আপনার সৎ সাহস থাকলে আশা করি আমার এই কমেন্টটি ডিলিট করবেন না।)
Edith commented:
Your answer lifts the ientlilgecne of the debate.






















